March 7, 2021

গরিফা জুভেনাইল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

মহন্ত দাশগুপ্ত – উত্তর ২৪ পরগনা

সারাবিশ্বে ও ভারতে পর্যায়ক্রমে লকডাউন চলছে করোনা থেকে মুক্তি পেতে। (গরুরফারি) গরিফা জুভেনাইল অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালনায, দীর্ঘদিন ধরে লকডাউন চলা অবস্থায় দুর্বিষহ যন্ত্রণার মধ্যে পড়ে যাওয়া ২৫০ জন অসহায় গরীব ও মধ্যবিত্ত মানুষদের মধ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী প্রদান করা হয়। গোটা বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে ভারতে পিরিয়ডের পর পিরিওড লকডাউন চলছে। কবে যে শেষ হবে এই কালান্তক সময়সীমা। যা গোটা বিশ্বের খেটে খাওয়া দিনমজুর, গরিব নিম্নবিত্ত, অতি নিম্নবিত, অতি নিম্নবিত্ত মানুষ ও নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত মানুষেরা কেউ জানেন না, যে কবে শেষ হবেএই অভিশপ্ত ও ভয়ঙ্কর কাল নামক অশুভ গ্রহের প্রকোপ। তাই গোটা বিশ্বে এই ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে যাদের যতটুকু সামর্থ্য আছে, তাই নিয়েই এবং প্রতিটি মানুষের কাছেও সহযোগিতা নিয়ে যে বা যারা এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলি যেভাবেই হোক অসহায় বিপদগ্রস্থ মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে যথাসাধ্য যা দিয়েই হোক জীবন বাঁচাতে সহযোগিতায় নেমে পড়েছে। সবাই জানে কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকার আরো বিশাল ভাবেই মানুষ বাঁচানোর তাগিদে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন কিন্তু তার মধ্যেই মানবসেবায় যে ফাঁকফোকর থেকে যাচ্ছে, সেই জায়গাগুলি ভরাট করে মানব

জীবন বাঁচানোর তাগিদে সারাদেশে যে স্বেচ্ছাসেবক সংস্থাগুলি মানব সেবার কাজে নেমে পড়েছেন, তাদের মধ্যেই পড়ে এরকম একটি সামাজিক সংস্থা গরিফা জুভেনাইল অ্যাসোসিয়েশন। তারাই এদিন এই মানব জীবন রক্ষার তাগিদে যথাসাধ্য খাদ্যসামগ্রী নিয়েই যতটা মানুষকে পেরেছেন, তাই দিয়েই এদিন ২৫০ জন মানুষের হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলে দিয়েছেন, এই সংস্থার সাথে দীর্ঘদিন যাবত যুক্ত থাকা বিশেষ ব্যক্তিত্ব হিসেবে নৈহাটির প্রথিতযশা অধ্যাপক – চিকিৎসক শ্যামল চন্দ্র বন্দোপাধ্যায়, চিকিৎসক কার্তিক সাধুখা, ফটোগ্রাফি অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সঞ্জীব দাস, লায়ন্স ক্লাবের অঞ্জন মল্লিক, পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চ নৈহাটি শাখার সম্পাদক দীপঙ্কর মুখার্জী, সভাপতি সমেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য ,সম্পাদক সমরেন্দ্রনাথ সরকার, কোষাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ ঘোষ, সহ-সভাপতি কমল কৃষ্ণ দাস, সহ-সম্পাদক হারান ঘোষ ও মানবেন্দ্র চক্রবর্তী, ফটোগ্রাফি অ্যাসোসিয়েশনের সৌমেন বাহাদুর সহ বিশেষ বিশেষ ব্যক্তিগণ। সংস্থার সভাপতি ও সম্পাদক বলেন, আমরা মানুষের কাছ থেকে যতটা আর্থিক সাহায্য পেয়েছি এবং আমরাও সকল সদস্য মিলে যতটা পেরেছি, সবমিলিয়ে যেটুকু অর্থ আমরা সঞ্চয় করেছিলাম, তা দিয়েই আমরা আমাদের সংস্থার পক্ষ থেকে ১৩ টি আইটেম – খাদ্যসামগ্রী ২৫০ জন মানুষের হাতে তুলে দিলাম। আগামী দিনে লকডাউন আরো যদি চলতে থাকে, তাহলে আমরা একশোর বেশি অসহায় মানুষের হাতে আবার খাদ্য সামগ্রী তুলে দেব এবং আশা রাখছি যদি সেই ভাবে আমরা মানুষের কাছ থেকে সহযোগিতা পাই, এই সেবা কাজের জন্য তাহলে আরো বেশি মানুষের সহযোগিতায় ও পাশে থাকার চেষ্টা করবো।

Total Page Visits: 194 - Today Page Visits: 1