April 18, 2021

বনিকসভায় পন্যবাহী আইন বিষয়ক আলোচনা আয়োজিত হল

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

সমগ্র বিশ্ব অর্থনীতি এবং বাণিজ্যিক পরিবহণ ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। ২০১৮ সালে দেশের প্রধান বন্দরগুলির মাধ্যমে ৬৭৯.‌৩৬ মিলিয়ন টন পণ্য পরিবহণ করা হয়েছে। পরের বছর পরিমাণ বেড়েছে ২.‌৯০ শতাংশ অর্থাৎ ৬৯৯.‌০৫ মিলিয়ন টন। ছোট বন্দরগুলিতে ২০১৮ সালে ৪৯১.‌৯৫ মিলিয়ন টন পণ্য পরিবহণ করা হয়েছিল। পরের বছর বৃদ্ধির হার ৯.‌২ শতাংশ। সমুদ্রপথে মালবাহী জাহাজ, কন্টেনার জাহাজ, ট্যাঙ্কারের সাহায্যে মাল পরিবহণ করা হয়। ২০১৮ সালের মে মাসে ভারতের জাহাজ মন্ত্রক ক্যাবেটাজ নিয়মে কিছু বদল এনেছে। যাতে বিদেশি জাহাজগুলিকে ক্যাবেটাজের কাজে বেশি সময় নষ্ট করতে না হয়। তবে এদেশের নথিভুক্ত জাহাজ সংস্থাগুলির বক্তব্য ছিল, ভারতের বেসরকারি সংস্থাগুলিকে আরও সুযোগ করে দিতে এই বদল আনা হয়েছে। এই বিষয়ে আলোচনা করতে বনিকসভা দ্য বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্স এক আলোচনাসভার আয়োজন করেছিল। এদিনের আলোচনায় জাহাজ মন্ত্রকের কী কী নিয়ম রয়েছে, কবে কোন আইন বদল হয়েছে, সেসব নিয়ে কথা বলেন বিশেষজ্ঞরা।
দ্য ইন্ডিয়ান পোর্ট ইন্ডাস্ট্রির রিপোর্ট অনুসারে দেশের মোট ব্যবসার ৯৫ এবং অর্থের অঙ্কের মূল্যের ৭৫ শতাংশ হয় সমুদ্রপথকে ব্যবহার করে। আইবিইএফ–এর মতে এদেশের জাহাজ ব্যবহার বেশিরভাগটা বৈদেশিক বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল। ২০১৮ সালে দেশের বড় বন্দরগুলি ৬৭৯.‌৩৬ মিলিয়ন টন পণ্য পরিবহণ করেছিল। অন্য বন্দরগুলিও ভাল কাজ করেছিল। এই বিষয়ে বনিকসভার আইন কমিটির চেয়ারম্যান এবং ভিক্টর মোজেস সংস্থার সলিসিটার ও সিনিয়র পার্টনার ডি এন মিত্র বলেন, ‘‌ভারতের জাহাজ সংক্রান্ত আইনের ওপর ব্রিটিশ নিয়মকানুনের প্রচুর প্রভাব ছিল। ২০১৭ সালে সংসদে তার অনেকটাই বদল করা হয়েছে। লজিস্টিক, কন্টেনারের মালিক এবং এজেন্ট, নথিপত্র তৈরির সঙ্গে যুক্ত মানুষজন, ছোট বড় পণ্য পরিবহণকারী, সিএসএফ অপারেটার, বন্দরের কর্মী, শিপিং এজেন্টরা’। এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের লোকপাল, সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি পিনাকীচন্দ্র ঘোষ।

Total Page Visits: 217 - Today Page Visits: 1