September 22, 2020

মাইক্রো এটিএম ভারতে যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসবে বলল “র‍্যাপিপে”

নিজস্ব প্রতিনিধি –

ভারতের দ্রুত উন্নতিশীল ফিনটেক সংস্থা, র‍্যাপি পে (RapiPay) সম্প্রতি সারা ভারত জুড়ে মাইক্রো এটিএম (mATMs) চালু করলো। র‍্যাপি পে ফ্র্যাঞ্চাইজড রিটেল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে গ্রাহকদের ব্যাঙ্কিং বিজনেস করেসপন্ডেন্টস (BCs) পরিষেবা দেয় । ক্যাপিটাল ইন্ডিয়া ফিনান্স লিমিটেড (সিআইএফএল) এর অধীনস্ত এই সংস্থাটির দৃঢ় বিশ্বাস যে এটিএম থেকে নগদ টাকা তোলার ক্ষেত্রে এই মাইক্রো এটিএমগুলি ভারতীয় গ্রাহকদের কাছে বিশেষত দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণীর শহর এবং গ্রামাঞ্চলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য এক যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসবে । র‌্যাপি পে – এর বিসি মডেল লক্ষ লক্ষ ভারতীয় খুচরা বিক্রেতাকে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ দিয়ে এক ‘আত্মনির্ভর ভারত’ গড়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই নতুন পরিষেবাটির সূচনা করে র‌্যাপি পে -এর এমডি এবং সিইও শ্রী যোগেন্দ্র কাশ্যপ বলেন, “আমাদের মাইক্রো এটিএমগুলি বাজারে দুর্দান্ত সাড়া পেয়েছে বলে আমরা আনন্দিত এবং আমরা এটি চালু করার একমাসের মধ্যেই ২৫০০০ এরও বেশি ডিভাইস ইনস্টল করতে সক্ষম হয়েছি। প্রচলিত এটিএম মেশিনের তুলনায় র‌্যাপি পে মাইক্রো এটিএমগুলি যুগান্তকারী এবং গ্রাহকরা সহজেই যেকোনো র‍্যাপি পে সাথী স্টোরে গিয়ে অতি সহজেই নগদ টাকা তুলতে পারবেন বা অনুরূপ কাজ করতে পারবেন এবং এর ফলে তাদের কিলোমিটার এর পর কিলোমিটার ধরে এটিএমের সন্ধানে ঘুরতে হবেনা । “শ্রী কাশ্যপ আরও বলেন “প্রতিবেশী দোকানে মাইক্রো এটিএম, এইপিএস (AePS) এবং টাকা ট্রান্সফার, বিল ও করের পেমেন্ট ইত্যাদির মতো অন্যান্য পরিষেবার সহজলভ্যতা গ্রাহকদের কাছাকাছির মধ্যেই ব্যাঙ্কিং এবং পেমেন্ট পরিষেবার সহজ সমাধান এনে দিয়েছে “।ভারত উচ্চ নগদ অর্থনীতির অঞ্চলে থাকায়, লক্ষাধিক লেনদেন ইতিমধ্যেই মাইক্রো এটিএমের মাধ্যমে ঘটছে, এই লেনদেন আধার এনাবেল্ড পেমেন্ট সিস্টেম (AePS) এর মাধ্যমে বা মাইক্রো এটিএম ডিভাইসের মাধ্যমেই হচ্ছে । বর্তমানে মহামারীর সময় নগদ টাকা তোলার ক্ষেত্রে এই মাইক্রো এটিএমগুলি বিশেষ ভূমিকা পালন করে চলেছে বিশেষত কর্মহীন শ্রমিক, কৃষক দের জন্য জন ধন অ্যাকাউন্টে সরকারের পাঠানো ১.৭৫ লক্ষ্ কোটি টাকা তোলার সময় ইহা প্রভূত সহায়তা করেছে ।আরবিআইয়ের সাম্প্রতিক তথ্যে প্রকাশিত হয়েছে যে দেশের ২.২ লক্ষ এটিএমের মধ্যে কেবল ১৯% এটিএম গ্রামাঞ্চলে রয়েছে যেখানে মোট ভারতীয় জনসংখ্যার ৬২% বাস করেন । গ্রামীণ অঞ্চলে এটিএম সংখ্যা কম উপরন্তু এটিএমের মোট সংখ্যা প্রতিবছর হ্রাস পাচ্ছে। সুতরাং, দেশের প্রতিটি প্রান্তে এবং গ্রামাঞ্চলে টাকা তোলার সুবিধার জন্য মাইক্রো এটিএম গুলির চাহিদা বেড়ে চলেছে । র‌্যাপি পে মাইক্রো এটিএমগুলি অত্যন্ত কার্যকর এবং সহজেই সারা ভারত জুড়ে র‌্যাপি পে সাথীতে ব্যবহৃত র‌্যাপি পে এজেন্ট আপ এর সাথে যোগাযোগে সহায়ক। র‌্যাপি পে এর কাছে আরবিআই এর দেওয়া পিপিআই (প্রি-পেইড ইনস্ট্রুমেন্ট) লাইসেন্স রয়েছে এবং এটি এজেন্ট এবং গ্রাহকদের জন্য সম্পূর্ণ সুরক্ষিত এবং নির্ভরযোগ্য।

Total Page Visits: 6 - Today Page Visits: 1