September 19, 2021

মৈনাকের জুনিয়র গোয়েন্দা মন কাড়ল

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

শহরের বিখ্যাত মিষ্টির দোকানের মালিকের আচমকা মৃত্যু, মৃত্যু স্বাভাবিক কি অস্বাভাবিক তাই নিয়ে কাটাছেঁড়া করতে গিয়েই সঞ্জয়ের তৃতীয় নয়ন হয়ে ওঠে গোয়েন্দা জুনিয়র। কাকা বা সঞ্জয় কেউই যখন মাথা ঘামিয়েও সমাধান করে আনতে পারছেন না মৃত্যুরহস্য তখনই তাক লাগিয়ে দিয়ে একের পর সমাধান সূত্র খুঁজে বের করেছে সে। এক  সিনিয়রের প্রশয়ে কীভাবে এক প্রতিভা গুটি কেটে ধীরে ধীরে বেরিয়ে পাখা মেলার উপযুক্ত হয়ে ওঠে তারই গল্প গোয়েন্দা জুনিয়র। মৈনাক ভৌমিক বরাবরই সম্পর্কের প্রতি অবসেসড। বর্ণ পরিচয় আর গোয়েন্দা জুনিয়র দিয়ে সম্প্রতি তিনি স্বাদবদলে আগ্রহী হয়েছেন। কিন্তু যার যেটা জঁর তাঁর হালকা দাগ তো রয়েই যায় কাজে। তাই ছবিতে গোয়েন্দাগিরির থেকেও বেশি ফোকাসড মা-বাবা-বিক্রম, কাকা-কাকিমা-বিক্রম, সিনিয়র-জুনিয়ারের স্নেহমাখা সম্পর্ক, সিনিয়রের মেয়ে টুকির সঙ্গে টিনএজ ক্রাশ, মা-বাবাকে আচমকা হারিয়ে ফেলার যন্ত্রণা, মৃত ব্যক্তির যৌথ পরিবারের খুঁটিনাটি….ইত্যাদি ইত্যাদি। তর্কের খাতিরে প্রশ্ন উঠতেই পারে, গোয়েন্দা কি মানুষ নয়! তার অনুভূতি থাকতে নেই? সেক্ষেত্রে উত্তর, অনুভূতি থাকবে অবশ্যই, কিন্তু ছাপিয়ে যাবে না। ছবিতে সেটা হয়েছে বলেই  এই ছবি গোয়েন্দা ছবি কম সম্পর্কের ছবি বেশি।

Total Page Visits: 155 - Today Page Visits: 1