August 14, 2022

চিত্র পরিচালক প্রদীপ পালের পরিচালনায় আসছে তিন তিনটি বাংলা ছায়াছবি

নিজস্ব প্রতিনিধি – গল্পের নাম তোমার ও বিরহে

কলেজে অন্বেষা রোহনের গভীর প্রেমের শুরু কোন একটা ঘটনা ক্রমে। আর আছে ওদের বন্ধু সাথী। তিনজনের খুব বন্ধুত্ব। সুখে দুঃখে ওরা সব সময় একসাথে। রোহন খুব গরীব। অন্বেষা অনেক সাহায্য করে রোহনকে। একদিন রোহন কেটা চাকরী পায়। আস্তে আস্তে রোহন অন্বেষার কাছ থেকে অনেক দূরে চলে যায়, কোন একটা করণে। রোহনের খোঁজ পাওয়া যায়না। এই খারাপ সময়ে সার্কীর অন্বেষাকে শান্তনা দেয় এবং এই সাকীর ও অন্বেষার ভালোলাগাটা ভালোবাসায় পরিণত হয়। এদের বিয়ের ঠিক হয়। বিয়ের দিন অন্বেষা বিয়ের সাজে কাকার জন্য অপেক্ষা করছে। কাকা দেরিতে আসে।

অন্বেষা রাগারাগি করাতে কাকা বলে, আজ আমার একটা ক্যানসার রোগী মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। এতক্ষণে হয়তো ওর মৃত্যু হয়েছে। আসলে ওর মা খুব কান্নাকটি করছিল তাই আসতে দেরী হয়ে গেল। কাকা ছেলেটার বর্ণনা দিল। অন্বেষার রোহণের স্মৃতি হঠাৎ করে মনে পরে গেল। তার পর কাকা মোবাইল থেকে ছেলেটির ছবি দেখাল, দেখে ওটা রোহণ। অন্বেষা বিয়ের সাজে ওই অবস্থায় হসপিটালে যায়, ততক্ষণে রোহণ মারা গেছে।

অন্যদিকে একটা হসপিটালের নার্স ও কাঁদেছিল কারণ রোহণ যখন ভর্তি হয় তখন এই নার্স ওকে দেখাশোনা করছিল। নার্স ও মনে মনে ভালোবেসে ফেলে রোহণকে। ফ্যাসব্যাকে কিছু ঘটনা দেখানো হয়। রোহণের মৃত দেহ নিয়ে যাওয়া হয়। সবাই খুব কাঁদছে।

প্রোডাকশন হাউসের নাম ভালো হয়েছে

দীপঙ্কর মন্ডল

প্রযোজক এবং গল্প লেখক কাস্ট/ক্রু

পরিচালক প্রদীপ পাল

হেরোইন

ডাল্লা ঘোষ (অন্বেষা) প্যারালাল হেরোইন

কেতারা

নেতিবাচক প্রধান ভিলেন মানি (সাউথ সুপার স্টার।

গল্পের নাম – নীল ও দৈত্য

চুনী নদীর ধারে সোনাইপুর গাম। গ্রামের প্রত্যেক মানুষ ধীবর। মাছ ধরে জীবিকা

নির্বাহ করে। এই গ্রামের বেশির ভাগ মানুষ নিখোঁজ হয়ে যায় জলদস্যুর আক্রমনে মাছ ধরতে গিয়ে। এই রকম একটা পরিবার মা ও তার ছেলে পদ্মা ও নীল। বাবা জলদস্যুর হাতে মাছ ধরতে গিয়ে মারা যায়।

দুই মাছের কারবার করে রঘুনাথ সর্দ্দার ও মহিতোষ ভট্টাচার্য নামে দুই মহাজন। এরা এই গ্রামকে শোষণ করে, জেলেদের উপর অত্যাচার করে। এদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়র জন্য গ্রামের এক মাস্টার প্রতিবাদ করে নাম অসিত মাস্টার। কিন্তু মাস্টার মশাই পেরে ওঠে না ওদের লোকবলের কাছে। উনিও অত্যাচারিত হয়।

একদিন সময় বদলায় পদদ্মা মাছ ধরতে গিয়ে একটা অদ্ভুত পাথর পায়। সেই পাথর থেকে এক দৈত্যকার ব্যক্তির আবির্ভাব ঘটে। গ্রমের সমস্ত রকম অত্যচার থেকে ওই দৈত্য বাঁচায়। গ্রামটা আগের মতো হাঁসি-খুশি, স্বাধীন গ্রামের রূপ পায়। আর জলদস্যুর হাত থেকেও দৈত্য বাঁচায়। গ্রামের বাচ্চাদের ও নীলের বন্ধু হয়ে ওঠে। শেষে দৈত্য চলে যায়।

প্রোডাকশন হাউসের নাম

ভাল সম্পন্ন প্রযোজক

দীপঙ্কর মন্ডল

পরিচালক

প্রদীপ পাল

গল্পের লেখক শীর্ষেন্দু সরকার

কাস্ট/ক্রু

হিরো-ম্যানি (অসিত মাস্টার) (সাউথ সুপারস্টার)

Paralal Heroin (Noor)

কে জরা।


গল্পের নাম দ্য বাল্ক নাইট স্টোরি আউটলাইন (বাংলা চলচ্চিত্র)

পাহারা শহর। ঝমঝম করে বৃষ্টি পড়ছে। দুই দিক থেকে দুটো গাড়ি মুখোমুখি শামলো। একটা গাড়ি থেকে একটা ব্যাগ নিয়ে নামল। নাম বিক্রম যায়। অন্য গাড়ি থেকে তিনজন ব্যক্তি মুখ পুরো কাপড়ে ঢাকা ওদের হাতে একটা ঐ তিনজন নিজের নিজের গাড়ি নিয়ে

মাঝ রাস্তাতে একটা শাস্ত্র মুখের মহিলা ক্রিমের কাছে সাহায্য চাইলো। কিছু লোক ক্রম একটু ভেবে গাড়িতে উঠতে বললো মেয়েটিকে, নাম রেশমি। বিক্রম নিজের গাড়ি নিয়ে গেল। মেয়েটি তার সমস্ত ঘটনা বললো।

পুলিশ ও পলিটিক্যাল গুন্ডা লোক একটা ছেলে ও একটা মেয়েকে খুন করছে, যেটা ও দেখে ফেলে। তাই ওরা ওকে খুঁজঝে। ওকে কেউ খুঁজলে বিক্রম যেন না বলে। ততক্ষণে ওই পুলিশ এবং ভন্ডালোকজন বিক্রমের বাড়িতে এসে মেয়েটির খোঁজ চায়। বিক্রম খোঁজ দেয়না। তারপর ওরা চলেগেলে বিক্রম মেয়েটির জন্য খাবার আনতে যায় কিন্তু বলে যায় পাশের একটা রুম দেখায় ও যেন ওই রুমের দিকে না যায়। কিন্তু বিক্রয় যাবার পর মেয়েটি ওই রুমের দিকে যায় রুমে ঢোকার পর পিছন থেক মেয়েটির মাথায় কেউ আঘাত করে। কিছুক্ষণ পর মেয়েটির জ্ঞান ফেরে দেখে ওর হাত পা সব বাধা সামনে বিক্রম বসে ড্রিঙ্ক করছে। এই রুমটার চারিদিকে ড্রাগস হিরোয়িন, গোলাস, প্রচুর টাকা, মানুষের হার এই সব দেখা যায়। আসলে বিক্রম অনেক রকম খারাপ কাজের সঙ্গে যুক্ত। বাইরে একটা শব্দ হয়, বিক্রয় দেখতে যায়, কেউ পিছন থেকে আঘাত করে দেখাযায় রেশমি। বিক্রম ও আঘাত করে। রেশমি ছিটকে পরে। একসপ্তাহ পর একটা গোডখা পড়া মেয়ে অন্য একটা গাড়িতে লিফট চা গাড়িতে উঠে গোড়ঙ্খা খোলে দেখা যায় ওই মেয়েটি। ফ্ল্যাসব্যাক বিক্রমকে মাডার করা হয় এবং ওই পুলিশ ও ওই পরিটিক্যাল গুন্ডা লোকজন সব রেশমির লোক। আসলে রেশমির নাম নিসার গ্রুপ। এরা মানুষকে ট্রাপ করে। ফ্ল্যাস ব্যাক আউট। গাড়ির ড্রাইভারটা বলে ম্যাডাম আপনাকে খুব চেনা চেনা লাগছে। গাড়িটা খুব নির্জন জায়গায় দাঁড়ায়। মেয়েটি নেমে যায়। গাড়িটি বোমরাস্ট হয়ে যায়।

সাবাশ

প্রোডাকশন হাউসের নাম প্রযোজক দীপঙ্কর মণ্ডল পরিচালক ও গল্প লেখক প্রদীপ পাল

About Post Author

Total Page Visits: 102 - Today Page Visits: 1